ডেস্ক রিপোর্ট
২৫ মে ২০২১, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: শিক্ষা খাতে জাতীয় বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দ, ভ্যাকসিন দিয়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরকে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া সহ ৪ দফা দাবিতে অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে একটি সমাবেশ ও মিছিল শেষ করে মন্ত্রণালয়ে এবং দেশব্যাপী জেলায় জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রেরণ করা হয়।
কেন্দ্রীয় সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক রাজীব কান্তি রায়ের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি আল কাদেরী জয়।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স, ঢাকা নগর শাখার সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ, সাধারণ সম্পাদক অনিক কুমার দাস প্রমুখ।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনাকালে এক বছরের বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে, এটা একটি দেশের জন্য এক অপুরণীয় ক্ষতি। অবিলম্বে শিক্ষা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে উদ্যোগী না হলে এর ফলাফল আগামী বহু বছর ধরে ভোগাবে দেশকে। কিন্তু আমরা দেখছি রাষ্ট্রের তরফ থেকে এর কোন উদ্যোগই নেই। মন্ত্রণালয়গুলো ব্যস্ত দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে। আমরা বলতে চাই, শিক্ষা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য অবিলম্বে আসন্ন জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বহু বছর ধরে আমরা দাবি করে আসছি শিক্ষা খাতে বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের জন্য। এই বরাদ্দ না হলে কখনই একটি দেশে মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে না। করোনা এসে দেখিয়ে দিয়ে গেল শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বরাদ্দ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এরপরও কি আমাদের সরকার শিক্ষা নিবে না?
নেতৃবৃন্দ আরও দাবি করেন, যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষা ব্যবস্থায় বিরাজমান অনিশ্চয়তা ও বৈষম্য দূর করতে হবে, সকলকে ভ্যাকসিন দিয়ে স্বাস্থ্য সম্মত আবাসন নিশ্চিত করে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আর টালবাহানা ছাত্রসমাজ সহ্য করবে না। একই সাথে ঝরে পড়া রোধে করোনাকালে লকডাউনে আয় রোজগার হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের জন্য আর্থিক প্রণোদনা দিতে হবে। অন্যথায় বড় অংশের শিক্ষার্থীর আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেও লেখাপড়ায় ফিরে আসা সম্ভব হবে না। এই দায়িত্ব্রা ষ্ট্রকেই নিতে হবে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগ পর্যন্ত অনলাইন ক্লাসের জন্য ডিভাইস ও ইন্টারনেট বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদেরকে সরবরাহ করার জন্য বাজেটে বরাদ্দ দিতে হবে।