ডেস্ক রিপোর্ট
২২ মে ২০২১, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
অধিকার ডেস্ক:: পারফরম্যান্স, ফিটনেস, নেতৃত্বগুণ, পেশাদারিত্ব, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তির জন্য তালিকা তৈরি করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)। তবে সেখানে কমিয়ে আনা হয়েছে পারিশ্রমিক। যা নিয়ে এখন অসন্তোষ শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের মধ্যে।
গতবারের চুক্তিতে ৩২ জন ক্রিকেটারকে রাখা হলেও, এবার সেটি কমিয়ে আনা হয়েছে ২৪ জনে। চার ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে ২৪ জনকে। যেখানে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ১ লাখ ডলার এবং সর্বনিম্ন ধরা হয়েছে ২৫ হাজার ডলার। অথচ আগের চুক্তিতে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার।
পারিশ্রমিক কমানোসহ সার্বিক দিক বিবেচনায় বোর্ডের এই কেন্দ্রীয় চুক্তিতে সাক্ষর করতে রাজি হননি লঙ্কান ক্রিকেটাররা। অথচ এরই মধ্যে বেজে গেছে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের ঘণ্টা। রোববার মাঠে গড়াবে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। আইসিসি ওয়ার্ল্ড সুপার লিগের অংশ হওয়ায় এ সিরিজের গুরুত্বও অনেক।
তাই মাঠের বাইরে চুক্তি বিষয়ে যত ঝামেলাই থাক, আপাতত খেলার ব্যাপারেই ভাবছেন বলে জানালেন শ্রীলঙ্কার নতুন অধিনায়ক কুশল পেরেরা। শনিবার ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে অবধারিতভাবেই উঠে আসে চুক্তির বিষয়টি। লঙ্কান অধিনায়কের আশা, শিগগিরই এ বিষয়ে সমাধান পাবেন তারা।
কুশল পেরেরা বলেছেন, ‘বোর্ডের সঙ্গে চলমান বর্তমান চুক্তির ইস্যুটি নিয়ে আমরা ভাবতে চাচ্ছি না। কারণ আমরা এখন সব মনোযোগ এই সিরিজটির দিকে দিয়েছি। হ্যাঁ, এটি (চুক্তির বিষয়) অবশ্যই চিন্তার কারণ। তবে আমরা আশা করছি শিগগিরই তা সমাধান হয়ে যাবে। তবে তার আগে সিরিজ জয়ের ব্যাপারেই ভাবছি আমরা।’
২০২৩ বিশ্বকাপের জন্য দল সাজানোর পরিকল্পনা হিসেবে বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে বাইরে রেখে, নবীন স্কোয়াড নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসেছে শ্রীলঙ্কা দল। অন্যদিকে সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে বাংলাদেশ এখন পূর্ণশক্তির দল। পাশাপাশি স্বাগতিক হিসেবেও এগিয়ে থাকবে বাংলাদেশই।
তবু ভরসা হারাতে রাজি নন লঙ্কান অধিনায়ক। দলের তরুণ খেলোয়াড়দেরকে ভুল থেকেই শেখার মন্ত্র শোনালেন তিনি। কুশলের ভাষ্য, ‘অনেকসময় আপনাকে বাঁধার সম্মুখিন হতে হয়। এরপর নিজের ভুল থেকেই শেখা হয়। আশা করি যারা আছে ওরা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারলে ভালো করবে। আমরা শুরুতেই নিখুঁত পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করতে পারি না।’
প্রথাগতভাবেই বাংলাদেশে খেলা হয় স্লো এবং লো উইকেটে। যেখানে স্পিনারদের জন্য থাকে বাড়তি সুবিধা। আসন্ন সিরিজেও একইরকম উইকেট হবে বলে মনে করছেন লঙ্কান অধিনায়ক, ‘আমরা জানি বাংলাদেশের অন্যতম শক্তি তাদের স্পিন। আমরা স্পিনের জন্য তৈরি উইকেটই প্রত্যাশা করছি। আমি মনে করি ফিল্ডিং বড় প্রভাব ফেলবে।’