ডেস্ক রিপোর্ট

৪ নভেম্বর ২০২৩, ৩:২৩ অপরাহ্ণ

বিশ্বকাপে টিকে থাকতে দরকার ৪০২ রান পাকিস্তানের

আপডেট টাইম : নভেম্বর ৪, ২০২৩ ৩:২৩ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক: হারলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত—এমন বাঁচা–মরার সমীকরণ নিয়ে আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলছে পাকিস্তান। দিনের শুরুতে টসভাগ্যকে সঙ্গে পেলেও নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের পর কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাবর আজমরা।

প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৪০১ রানের পাহাড় গড়েছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে পাকিস্তানকে এই রান টপকাতেই হবে। না পারলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচটি হয়ে উঠবে নিয়মরক্ষার।

সকালে টসে জিতে বাবর বলেছিলেন, পিচের আদ্রতা কাজে লাগাতে চায় তাঁর দল। কিন্তু চার পেসারের কেউই দিনের প্রথম ভাগের সুবিধা আদায় করতে পারেননি। উল্টো উইল ইয়ং ও রাচিন রবীন্দ্র মিলে প্রথম দশ ওভারে তুলে ফেলেন ৬৬ রান। শুরুর এই ছন্দ আর ইনিংসজুড়ে হারাতে দেয়নি কিউইরা। ইয়ং ৩৫ রান করে হাসান আলীর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেও রবীন্দ্র ও কেইন উইলিয়ামসন মিলে রানের গতি থামতে দেননি। ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করে একটা পর্যায়ে তিন অঙ্কের দিকেও এগিয়ে যান দুজনে। ইনিংসের ৩৪তম ওভারে সেটা পেয়েও যান রবীন্দ্র। ২৩ বছর বয়সী বাঁহাতির এটি টুর্নামেন্টে তৃতীয় শতক। বয়স পঁচিশ হওয়ার আগে এটিই কোনো ব্যাটসম্যানের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি শতক। পেছনে পড়ে গেছে শচীন টেন্ডুলকারের দুই শতকের রেকর্ড।

রবীন্দ্র তিন অঙ্কের দেখা পেলেও উইলিয়ামসন অবশ্য পাননি। বাংলাদেশের বিপক্ষে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে ছিটকে যাওয়া কিউই অধিনায়ক ফেরার ম্যাচে আউট হয়েছেন ৯৫ রানে। ইফতিখার আহমেদের বলে ফখর জামানের ক্যাচ হওয়ার আগে ৭৯ বলের ইনিংসে খেলে যান ১০টি চার ও ২টি ছয়।

উইলিয়ামসনের আউটে ১৮০ রানের জুটি ভেঙে যাওয়ার পরের ওভারে রবীন্দ্রও আউট হয়ে যান। ১৫ চার ১ ছয়ে গড়া ৯৪ বলে ১০৮ রানের ইনিংসটি থামে মোহাম্মদ ওয়াসিমের বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে। ১০ বলের মধ্যে দুই সেট ব্যাটসম্যান আউট হলেও নিউজিল্যান্ডের রানের চাকা সচল রাখেন ড্যারিল মিচেল, মার্ক চ্যাপম্যানরা। ১১ থেকে ৪০—মাঝের এই ত্রিশ ওভারে ৩ উইকেটে ২৪১ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। যা এবারের আসরে দলটির সর্বোচ্চ। শেষ দশ ওভারে গ্লেন ফিলিপস আর মিচেল স্যান্টনারদের সৌজন্যে যোগ হয় আরও ৯৪ রান।

পাকিস্তানের পক্ষে ১০ ওভারে ৬০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন ওয়াসিম জুনিয়র। ৯০ রানে উইকেটশূন্য ছিলেন শাহিন আফ্রিদি। ৮৫ রানে ১ উইকেট নেন হারিস রউফ।

শেয়ার করুন