ডেস্ক রিপোর্ট

৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০:২৫ অপরাহ্ণ

নেভেনি জুট মিলের আগুন, যোগ দিয়েছে নৌবাহিনী

আপডেট টাইম : এপ্রিল ৩, ২০২৪ ১০:২৫ অপরাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক: চার ঘণ্টায়ও নেভেনি খুলনার রূপসায় বেসরকারি জুট মিলে লাগা আগুন। বুধবার (৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রূপসার জাবুসা এলাকার সালাম জুট মিলে লাগা আগুন এখনো জ্বলছে।

ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। সঙ্গে যোগ দিয়েছে নৌবাহিনী ফায়ার ইউনিট। রাত সাড়ে ৯টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন জ্বলছিল।

এদিকে ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মিল কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকরা। তারা জানায়, জুট মিলে প্রচুর পরিমাণে পাট মজুদ ছিল। এ ছাড়া বিদেশে রপ্তানির জন্যও প্রস্তুত ছিল বিপুল পরিমাণ পাট। দু-একদিনের মধ্যে শিপমেন্ট করার কথা ছিল। তার আগেই আজ হঠাৎ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা।

আজাদ নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আসরের নামাজ পড়ে বেরিয়ে দেখি সালাম জুট মিলে আগুনের ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয়রা দৌড়ে এসে দেখে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে সংবাদ দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আসার আগেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, বিকেলে পাটকলের বাইরে থেকে আগুনের কুণ্ডলী দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। একইসঙ্গে স্থানীয়ভাবেও আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলতে থাকে। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিকেলে প্রথমে রূপসা ও পরে টুটপাড়া ফায়ার স্টেশন থেকে চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। আগুন ছড়িয়ে পড়লে খুলনার বিভিন্ন স্টেশন থেকে মোট ১১টি ইউনিট যোগ দেয়। এ ছাড়া নৌবাহিনীর ফায়ার ইউনিটও আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয়। তবে এখনো আগুন লাগার কারণ এবং হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

খুলনা ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকা মো. আব্দুল কাদির বলেন, বিকেল ৫টা ৩৮ মিনিটে আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।

এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে বাংলাদেশ নৌবাহিনীও যোগ দিয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কোহিনুর জাহান বলেন, ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। পাশাপাশি নৌবাহিনীর ফায়ার টিমও কাজ করছে। আগুনের তীব্রতা অনেক বেশি, নিয়ন্ত্রণে আসতে সময় লাগতে পারে। ঘটনাস্থলে আমাদের কর্মকর্তা ও পুলিশ রয়েছে।

শেয়ার করুন