ডেস্ক রিপোর্ট

১৩ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

দিনাজপুরে ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত

আপডেট টাইম : জানুয়ারি ১৩, ২০২৪ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক: একদিকে মিলছে না সূর্যের দেখা একইসঙ্গে ঘন কুয়াশা। দিনের বেলায়ও যানবাহনকে লাইট জ্বালিয়ে চলতে হচ্ছে। এমন হাড়কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দিনাজপুরের জনজীবন। শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দিনের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় রাস্তায় মানুষের চলাচল কমেছে। উষ্ণতার আশায় মানুষ আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম করে নিচ্ছেন। আবার কেউ ভিড় জমাচ্ছেন চায়ের আড্ডায়। দূরপাল্লার গাড়িগুলো চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। দিনের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায়, বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

কৃষক হায়দার আলী বলেন, যে শীত শুরু হয়েছে শ্রমিক খুঁজি পাচ্ছি না আলু তোলার জন্য। এদিকে শীত আর ঘন কুয়াশার জন্য বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি। বীজতলা নষ্ট হয়ে গেলে জমিতে ধান লাগাবো কীভাবে।

ইটভাটার শ্রমিক রফিকুল বলেন, কয়েক দিন ধরি ভাটায় যাইনি। শীতল বাতাস আর ঘন কুয়াশার কারণে বাসায় বসে আছি। এই ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে যাচ্ছে। কষ্ট করে চলছে সংসার ।

জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, শুক্রবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭ ভাগ। এ মাসের ১৭ থেকে ১৮ তারিখে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে।

জেলা সিভিল সার্জন এএইচএম বোরহানুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় দিনাজপুরে শীতের তীব্রতা অনেক বেশি। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তের পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। এ জন্য শিশু ও বয়স্কদের ঠান্ডা থেকে দূরে রাখাসহ সতর্কতা অবলম্বন বিশেষভাবে প্রয়োজন।

শেয়ার করুন