ডেস্ক রিপোর্ট

২৯ জুন ২০২৪, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ

ত্যাগের রাজনীতি কোথাও কোথাও আছে

আপডেট টাইম : জুন ২৯, ২০২৪ ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ

শেয়ার করুন

রিয়াজ হোসেন :

কেউ পেশায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে ছেড়ে দিয়েছেন, কেউ বিসিএস পাস করেও লোভনীয় চাকরিতে যাননি। কেউ মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করার পর বিসিএস করেও চিকিৎসা পেশায় যাননি। তারা সবাই উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানিকে উপেক্ষা করে যোগ দিয়েছেন সার্বক্ষণিক রাজনীতিতে, যারা দলের হোলটাইমার হিসেবে পরিচিত।

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে স্বাধীন দেশের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত গৌরবময় অর্জনগুলো সম্ভব হয়েছে দেশের এমন একদল নিঃস্বার্থবান, নিজের সর্বস্ব দান করা তরুণ রাজনৈতিক কর্মীর কারণে। যাদের বোধ আর সক্রিয়তার কারণেই সফলতা এসেছে। এসব বিচক্ষণ আর কর্তব্যনিষ্ঠ রাজনীতিকের বড় একটা অংশই ছিল বামপন্থি দলগুলোর নেতা। গণমানুষের রাজনীতিকেই তারা করেছেন জীবনের পাথেয়।

সোভিয়েত ইউনিয়ন বিপর্যয়ের পর এর বড় ধাক্কা লাগে দেশের বামপন্থি দলগুলোর মধ্যেও। একে একে দল ছাড়তে শুরু করেন ডাকসাইটে বামপন্থি নেতারা। অনেকে হতাশায় আক্রান্ত হয়ে রাজনীতি ছেড়েছেন। কেউ আবার সুযোগ-সুবিধার লোভে সরকারের অংশ হয়েছেন। এত কিছুর পরও একদল তরুণ বাম আদর্শকে বুকে ধারণ করে লড়াই করে গেছেন দিনের পর দিন। দল বাঁচাতে বিভিন্ন সময় কেউ ঘর ছেড়েছেন।

উপমহাদেশের কমিউনিস্ট এবং বামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর যাত্রা শুরু হয়েছিল সমাজের সেসব মানুষের হাত ধরে যাদের অধিকাংশই জীবিকার জন্য কোনো পেশায় যুক্ত ছিলেন না অথবা স্বাধীন পেশায় যুক্ত ছিলেন। তাদের বলা হতো হোলটাইমার। যারা উপার্জনের সব পথ ছেড়ে বা গ্রহণ না করে সার্বক্ষণিকভাবে দলের কাজে নিয়োজিত থাকেন, তারাই মূলত হোলটাইমার। সেই ধারাবাহিকতায় দলগুলোর সাংগঠনিক কাঠামো সেভাবেই গড়ে উঠেছে।

দেশের বেশ কয়েকটি বামপন্থি দলের কেন্দ্রীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় সংগঠনে যুক্ত নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন জেলায় সার্বক্ষণিক সদস্যরা হোলটাইমার হয়ে পার্টির কর্মকা- পরিচালনা করছেন। দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্তরে সার্বক্ষণিক নেতাকর্মীদের জন্য নামমাত্র ভাতার ব্যবস্থা করা হয়। ভাতার পরিমাণ তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকার মতো। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জীবনধারণের জন্য পার্টির সার্বক্ষণিক সদস্যরা তাদের পরিবার এবং শুভানুধ্যায়ীদের ওপরই নির্ভর করেন।

চাকরিতে যোগ না দিয়ে পার্টির জন্য সার্বক্ষণিক পথ বেছে নিয়েছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন। রংপুর জিলা স্কুল এবং কারমাইকেল কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে ভালো রেজাল্টের পর বাবা-মায়ের ইচ্ছা ছেলে কৃষি নিয়ে পড়াশোনা করুক। যেহেতু বড় ভাইবোন দুজনেই মেডিকেলে পড়াশোনা করেছেন। তাই বাবা-মায়ের ইচ্ছা অনুযায়ী ১৯৮০-৮১ শিক্ষাবর্ষে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন রতন। ১৯৮৩ সালে সামরিক শাসক এরশাদ ক্ষমতা দখল করলে দেশের ছাত্রসমাজ ফুঁসে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ছাত্র আন্দোলন দান বাঁধতে শুরু করে। ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শ্রমিকনেতা তাজুল এরশাদের গু-াবাহিনীর হামলায় নিহত হলে উত্তাল হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। যার প্রভাব পড়েছিল কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েও। বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী ছাত্ররা রেললাইন অবরোধ করেন। আন্দোলন থামাতে সেদিন সেনাসদ্যরা ক্যাম্পাসে আক্রমণ করেন। বন্ধ করে দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়। ওই ঘটনা বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল রাজেকুজ্জামান রতনের মনেও। তিনিও আন্দোলনে শামিল হন। আন্দোলনের মিছিলে গলা মেলাতে মেলাতে জড়িয়ে পড়েন বাম ধারার ছাত্র সংগঠন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সঙ্গে। এর কিছুদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রফ্রন্টের দায়িত্বে আসেন তিনি।

১৯৮৮ সালের অষ্টম বিসিএসে অংশ নিয়ে চাকরির নিয়োগপত্রও পান রাজেকুজ্জামান রতন। তখন সারা দেশ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল। আন্দোলনে থাকবেন না, চাকরিতে যোগ দেবেন এ নিয়ে বেশ দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়তে হয় তাকে। শেষ পর্যন্ত চাকরিতে যোগদান না করে আন্দোলনেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন তিন।

রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, ‘১৯৯০ সালের ২০ ডিসেম্বর ছিল জয়েন করার ডেট। আর এ সময়টা ছিল আন্দোলনের উত্তাল সময়। সে সময় সিদ্ধান্ত নিলাম সরকারি চাকরিতে যাব না। একটা রাজনৈতিক দায় থেকে চাকরিটা করা হলো না। এর আগে আমি একটা ফেলোশিপ পেয়েছিলাম। সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ফেলোশিপ। সেটা একটা গবেষণা ছিল। সে গবেষণার কাজটাও অর্ধেক করেছিলাম। সেটাও আর সম্পন্ন করা হয়নি।’

চাকরি না করা বা বর্তমান জীবনযাপন নিয়ে কোনো হতাশা নেই রতনের। তিনি বলেন, ‘সাফল্য এবং ব্যর্থতা মাপার একটা মাপকাঠি আছে। যদি টাকার অঙ্কে সাফল্য মাপি, তাহলে মনে হবে ব্যর্থ। কিন্তু যদি আমি ভাবি আমার জীবনটা মানুষের জীবনের সঙ্গে মেলাতে পারছি কি না? মানুষের স্বপ্নের সঙ্গে আমার স্বপ্নটা মেশাতে পারছি কি না? সে অর্থে তখন ব্যর্থ মনে হয় না। তখন মনে হয় মানুষের জন্য আরও কাজ করতে হবে। আরও অনেক বেশি কাজে যুক্ত না থাকলে মানুষের স্বপ্নটাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া যাবে না। ফলে এখানে হতাশার কোনো অবকাশ নেই।’

সিপিবির মনোনয়নে ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে অংশ নিতে একটি বেসরকারি ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ ছেড়েছেন দলটির আরেক নেতা আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন। পারিবারিক আবহর কারণে ছোটবেলা থেকে বাম ধারার রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি। শ্রমিক নেতা তাজুল ইসলামকে হত্যার খবর পত্রিকার পাতায় দেখে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন।

কিন্তু ক্যাডেট কলেজে থাকার কারণে তিনি কোনো প্রতিবাদে অংশ নিতে পারেননি। তার ২ মাস পর ২৮ মে চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী শাহাদাত খুন হন। তখন বাসায় থাকায় ৩০ মে পাড়ার ছাত্র ইউনিয়নের কর্মীদের সঙ্গে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আসেন। সেই মিছিলের মধ্য দিয়ে ছাত্র ইউনিয়নে সঙ্গে পথচলা শুরু হয়।

এরপর ১৯৮৫-৮৬ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হন তিনি। তারপর থেকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত হন। ছাত্র ইউনিয়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংসদের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ছাত্ররাজনীতি শেষ করার পর তিনি একটি বেসরকারি ব্যাংকে যোগ দেন। চাকরি করলেও একদিনের জন্যও সিপিবির রাজনীতি থেকে নিজেকে দূরে রাখেননি। এমনকি এ সময় দলটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেছেন।

কাফি রতন বলেন, ‘২০১২ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে। পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি মেয়র নির্বাচনের জন্য আমাকে মনোনীত করে। আমি কোনো কিছু না বুঝে চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। তখন ওই ব্যাংকটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলাম। চাকরি ছেড়ে দিলাম কিন্তু মেয়র নির্বাচন হলো না। তখন আমাদের ব্যাংকের যে চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি আমাকে ডেকে বলেন, তুমি যে চাকরি ছেড়ে দিলা এখন তো মেয়র নির্বাচন হচ্ছে না। তোমার অব্যাহতিপত্র গ্রহণ করিনি, তুমি আবার চাকরি করো। পরে পার্টির সঙ্গে আলাপ করে আবার জয়েন করলাম। এরপর ২০১৪ সালে আমি এসে চিন্তা করে দেখলাম, যেহেতু আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি রাজনীতি করব, তাহলে দুটো একসঙ্গে করা তো সম্ভব না। তাই চাকরি ছেড়ে দিই। আমি মনে করি, এ দিন থেকে নতুন জীবন শুরু করব।’

তিনি বলেন, ‘চাকরি ছাড়ার পেছনে স্ত্রী বা সন্তানদের কোনো বাধা ছিল না। তবে আমার বাবা খুব মন খারাপ করেছিলেন। কারণ তিনিও ব্যাংকার ছিলেন। তিনি মনে করতেন আরও কিছুদিন থাকলে হয়তো আরও বড় পদে যেতে পারতাম। জীবন আরও বেশি সচ্ছল থাকত। অনেকেই অনেক কথা বলেছেন। তবে আমি লক্ষ্য থেকে পিছপা হইনি।’

২০০৬ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী হতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন ডা. ফজলুর রহমান। এরপর থেকে রাজনীতিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন তিনি।

১৯৭০ নওগাঁর মান্দা উপজেলার চকউলী বহুমুখী হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাস করার পর রাজশাহী নিউ ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হন ফজলুর রহমান। তার বড় ভাই তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ৭০-এর নির্বাচনে ন্যাপের প্রার্থীর জন্য বড় ভাইয়ের সঙ্গে প্রচারে যোগ দেন। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে বাম ধারার রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের শেষের দিকে রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি হন ফজলুর রহমান। তখন বাকশালের কারণে ছাত্ররাজনীতি নেই। এরপর ১৯৭৭-৭৮ সালে আবার ছাত্ররাজনীতি শুরু হয়। তখন তিনি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। সিদ্ধান্ত নিলেন সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করবেন। এরপর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্র ইউনিয়নে যোগ দেন। একক উদ্যোগ রাজশাহীতে ছাত্র ইউনিয়নকে সংগঠিত করতে শুরু করেন। রাজশাহী মেডিকেল থেকে পড়াশোনা শেষ করে ১৯৮৪ সালে বিসিএসে (শর্ট বিসিএস) অংশ নেন তিনি। এরপর দেশের বিভিন্ন মেডিকেলে চিকিৎসাসেবা দেন তিনি। পরে ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। এই দীর্ঘ সময় চাকরির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বাম আদর্শের রাজনীতি থেকে বিচ্যুত হননি।

ডা. ফজলুর রহমান বলেন, ‘যখন আমি চাকরি ছাড়ি বা কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসিনি। ততক্ষণ আমার ভেতরে চাকরি ছেড়ে ফুলটাইম রাজনীতি করা নিয়ে কোনো হতাশা কাজ করেনি। কারণ আমি মেডিকেলের তৃতীয় বর্ষে থাকার সময় থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি রাজনীতিটা করব এবং যেখানেই চাকরি করেছি, সেখানেই পার্টির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। কিন্তু চাকরি ছাড়ার কিছু সময় পর মনে হয়েছে এখানেও একদল লোক কর্তৃত্বপরায়ণ আচরণ করছেন। যেটা কমিউনিস্ট আদর্শের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তখন নিজের ভেতরে এক ধরনের হতাশা তৈরি হয়েছে। তবে এর বিরুদ্ধে আমার লড়াই থেমে যায়নি।’

অন্যদিকে মেডিকেলে পড়ালেখা শেষ করে ৩৪তম বিসিএসে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে নিয়োগ পেয়েও চাকরিতে যোগ দেননি বাসদের কেন্দ্রীয় সদস্য ও বরিশালের সমন্বয়ক মনীষা চক্রবর্ত্তী। তিনি চাকরি না করে সার্বক্ষণিক রাজনীতিকেই বেছে নিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বরিশালের বেশ কিছু আন্দোলন ও সামাজিক কর্মকা-ের মধ্য দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। বিশেষ করে করোনাকালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন-রাত মানুষের জন্য কাজ করেছেন। ফলে গরিবের ডাক্তার হিসেবে বেশ পরিচিতিও পেয়েছেন।

ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীর জন্ম বরিশাল। তার বাবা আইনজীবী তপন কুমার চক্রবর্ত্তী ছিলেন ৯ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা। মনীষা চক্রবর্ত্তীর দাদা আইনজীবী সুধীর কুমার চক্রবর্ত্তীকে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় রাজাকার বাহিনী নৃশংসভাবে হত্যা করে।

রাজনীতিতে ১৪ বছরের পথচলায় নানা চড়াই-উতরাই পেরোতে হয়েছে মনীষা চক্রবর্ত্তীকে। প্রতিবাদী কর্মকাণ্ডের কারণে হামলা-মামলারও শিকারও হতে হয়েছে তাকে। কিন্তু নিজের আদর্শ এবং লক্ষ্য থেকে পিছপা হননি তিনি।

ডা. মনীষা বলেন, ‘একজন রোগাক্রান্ত মানুষের জন্য যেমন কাজ করা প্রয়োজন। তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন একটা রোগাক্রান্ত সমাজের চিকিৎসা। একটা জরাগ্রস্ত সমাজ, সেটা বদলানো। এটা করতে গেলে কিছু মানুষকে দায়িত্ব নিতে হয়। আমাদের দলের (বাসদ) রাজনীতি করার মধ্য থেকে আমার ভেতরে একটা দায়বোধ তৈরি হয়, সেটার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া।’ তিনি বলেন, ‘খুব বেশি কিছু করতে পেরেছি এটা বলা যাবে না। কিন্তু চেষ্টা করার মানসিকতা তৈরি হয়েছে।’ সূত্র: দেশ রূপান্তর

শেয়ার করুন