ডেস্ক রিপোর্ট

২৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ

ডাকাতির মামলায় সিআইডির ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি

আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩ ১২:২২ পূর্বাহ্ণ

শেয়ার করুন

অধিকার ডেস্ক: রাজধানীর ভাটারা থানার কুড়িল এলাকার এক ট্রাভেল ব্যবসায়ীকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) পরিদর্শক পরিচয় দিয়ে অপহরণের অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের (উত্তর) একটি দল।

ডিবি বলছে, গ্রেপ্তার দুই পুলিশ সদস্য সিআইডিতে কর্মরত। এই দুজনের নেতৃত্বে একটি অপহরণকারী চক্র রাজধানী জুড়ে দাপিয়ে বেড়াত। সম্প্রতি এক ভুক্তভোগীর মামলার তদন্তে নেমে এই দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার অপহরণ চক্রের সদস্যরা হলেন- উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম (৩৯), কনস্টেবল আবু সাঈদ (৩২), বরিশালের উজিরপুরের মো. ইমন (২১), একই উপজেলার আব্দুল্লাহ আল ফাহিম (২১) ও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার শরীফ হোসেন (২৬)। এদের মধ্যে ফাহিম ও ইমনকে গত ৩ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি তিনজনকে ২৫ ডিসেম্বর রোববার গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবিতে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ এ তথ্য জানান।

অতিরিক্ত কমিশনার হারুন বলেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাজ হলো তদন্ত করা। যখন কোনো থানায় কোনো মামলা হয় তখন সেই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করা বা ছায়া তদন্ত করা হয়। ভাটারা থানায় চলতি বছরের গত আগস্ট মাসে এক ট্রাভেল ব্যবসায়ী ভুক্তভোগী হিসেবে থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)র পরিচয় দিয়ে ফোন করে ধরে নিয়ে টাকা পয়সা আদায় শেষে বিভিন্ন স্থানে ফেলে যেতো। এমন বেশ কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ (উত্তর) তদন্তের নামে। তদন্তের এক পর্যায়ে বরিশাল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে অপহরণ ও টাকা আদায়ের কথা স্বীকার করেন।

এক প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশীদ বলেন, আমরা বিভিন্ন সময়ে ভুয়া পুলিশ, র‌্যাব, ডিবি সদস্য গ্রেপ্তার করেছি। এবারও আমরা সিআইডি পরিচয়ে একটি অপহরণ চক্র ধরতে গিয়ে আসল সিআইডি গ্রেপ্তার করেছি। প্রতিবছর পুলিশ বাহিনীতে খারাপ কর্মকাণ্ডের কারণে যে পরিমাণ শাস্তি পায় অন্য কেনো সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানে পায় না। এক দিকে পুলিশ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যেমন মানবিক অন্য দিকে এসব বিষয়ে অমানবিক ও কঠোর। কারণ সাধারণ মানুষকে পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি, অপহরণের মতো অপরাধ করবে এটা পুলিশ বাহিনী বরদাস্ত করবে না। কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পেলে তদন্ত করে সবকিছু বিচার বিশ্লেষণ করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

শেয়ার করুন